সব কার্যক্রম
02 Jan, 2025
বাবুনগর
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প
চিকিৎসা কিংবা স্বাস্থ্যসেবা বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা হলেও দেশের সুবিধাবঞ্চিত, দরিদ্র এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ এখনো সেই স্বাস্থ্যসেবা বঞ্চিত রয়েছে। অর্থের অভাবে বা নানাবিধ কারণে এসব মানুষ নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়।
তাই সেসব মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও মানবতা এবং দায়বদ্ধতার অঙ্গীকারের ধারাবাহিকতায় সাতকানিয়া উপজেলায় আয়োজন করা হয় এক মহৎ উদ্যোগ — ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, যা এই অঞ্চলের ইতিহাসে সবচেয়ে বৃহৎ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
সকালের প্রথম আলো থেকে দিনের শেষ প্রহর পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে প্রায় ৬,৫০০ মানুষ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এসে পেয়েছেন বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা।
এই ক্যাম্পে ৬৭ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক—মেডিসিন, বাত ও ব্যথা, প্রসূতি রোগ, শিশু, হৃদরোগ, গাইনি ও দন্তরোগসহ নানা বিভাগে—রোগীদের পরামর্শ ও চিকিৎসা দেন। তাদের সহায়তায় ২৫ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক নিরলসভাবে কাজ করে এক অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেন মানবসেবার।
প্রায় ৪,৫০০ জন রোগীর রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা সম্পন্ন হয় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এছাড়া একটি আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ দল চোখের চিকিৎসা প্রদান করে এবং বহু রোগীকে বিনামূল্যে চশমা সরবরাহ করে।
সবচেয়ে অনন্য দিক ছিল—প্রতিটি রোগী চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ঔষধ অস্থায়ী বুথ থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পেয়েছেন।
এই আয়োজন কেবল একটি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম নয়—এটি ছিল মানবতার উৎসব, যেখানে অসহায় মানুষের মুখে ফুটে উঠেছিল স্বস্তির হাসি এবং আশার আলো।
“সেবাই মানবতার শ্রেষ্ঠ প্রকাশ।” — নুরে হাবিব ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন। তাই বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়নসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টা এবং পরিকল্পনা চলছে।
সকালের প্রথম আলো থেকে দিনের শেষ প্রহর পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে প্রায় ৬,৫০০ মানুষ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এসে পেয়েছেন বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা।
এই ক্যাম্পে ৬৭ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক—মেডিসিন, বাত ও ব্যথা, প্রসূতি রোগ, শিশু, হৃদরোগ, গাইনি ও দন্তরোগসহ নানা বিভাগে—রোগীদের পরামর্শ ও চিকিৎসা দেন। তাদের সহায়তায় ২৫ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক নিরলসভাবে কাজ করে এক অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেন মানবসেবার।
প্রায় ৪,৫০০ জন রোগীর রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা সম্পন্ন হয় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এছাড়া একটি আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ দল চোখের চিকিৎসা প্রদান করে এবং বহু রোগীকে বিনামূল্যে চশমা সরবরাহ করে।
সবচেয়ে অনন্য দিক ছিল—প্রতিটি রোগী চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ঔষধ অস্থায়ী বুথ থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পেয়েছেন।
এই আয়োজন কেবল একটি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম নয়—এটি ছিল মানবতার উৎসব, যেখানে অসহায় মানুষের মুখে ফুটে উঠেছিল স্বস্তির হাসি এবং আশার আলো।
“সেবাই মানবতার শ্রেষ্ঠ প্রকাশ।” — নুরে হাবিব ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন। তাই বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়নসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টা এবং পরিকল্পনা চলছে।